রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সম্পন্ন করা হবে। তিনি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিটি অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
প্রধানমন্ত্রী নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, বিগত প্রায় ১৭ বছর এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা নিহত, গুম বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাঁদের স্মৃতি সংরক্ষণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি জানান, শহীদদের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিষ্ঠান নামকরণের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিচার প্রক্রিয়া কোনো প্রতিহিংসার ভিত্তিতে নয়; বরং আইনসম্মত ও গ্রহণযোগ্য উপায়ে পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে আহতদের চিকিৎসা, শহীদ পরিবারকে সহায়তা এবং আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণে সরকারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর শুধু ২০২৪ সালের ঘটনাবলির স্মারক নয়; এটি বাংলাদেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরবে। তাঁর মতে, এই জাদুঘর কোনো একক ব্যক্তি বা দলের রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান নয়; বরং গণতন্ত্রকামী জনগণের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও আকাঙ্ক্ষার দলিল হিসেবে গড়ে উঠবে।
✍️ মন্তব্য লিখুন