নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১৩:২৯, ৩ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্ধারিত ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন করতে সরকার ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে।
সরকারি ছুটির বাৎসরিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এবারের ঈদুল ফিতরে পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। ক্যালেন্ডার অনুসারে, ২১ মার্চ ঈদের দিন সাধারণ ছুটি। এর আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং পরে ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত আছে। ফলে ১৯ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন সরকারি ছুটি থাকবে।
এদিকে ১৭ মার্চ শবেকদরের ছুটি রয়েছে। মাঝের দিন ১৮ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলে শবেকদর ও ঈদের ছুটি মিলিয়ে টানা সাত দিনের অবকাশ তৈরি হতে পারে। এতে রাজধানীসহ বড় শহরগুলো থেকে গ্রামের বাড়িতে ফেরা মানুষের যাত্রা আরও পরিকল্পিত ও স্বস্তিকর হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাবটি বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীচাপ কমানো এবং কর্মজীবী মানুষের পারিবারিক সময় নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ছুটি কিছুটা দীর্ঘ হলে একদিনে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ তৈরি হয় না। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে এবং ভোগান্তিও হ্রাস পায়। ব্যবসায়ী মহলের একটি অংশ অবশ্য দীর্ঘ ছুটিতে উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে বলে মত দিয়েছেন।
সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে না। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হবে বলে জানা গেছে।
✍️ মন্তব্য লিখুন