আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান এমন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে যার ফলে শত্রুপক্ষকে পিছু হটতে বাধ্য হতে হয়েছে। তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধের সময় এবং যুদ্ধবিরতির মধ্যবর্তী সময়েও নিজেদের সক্ষমতা পুনর্গঠন করেছে এবং যেকোনো নতুন আগ্রাসনের জবাব দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।
রাষ্ট্রীয় ও ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যে গালিবাফ বলেন, শত্রুর প্রকাশ্য ও গোপন উভয় ধরনের তৎপরতাই প্রমাণ করে যে তারা ইরানের বিরুদ্ধে চাপ অব্যাহত রাখতে চায়। তবে তার দাবি, ইরানের প্রতিরক্ষা শক্তি ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে প্রতিপক্ষ তাদের প্রত্যাশিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। গালিবাফের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের সশস্ত্র বাহিনী “সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত” এবং প্রতিপক্ষকে “শিক্ষামূলক জবাব” দেওয়ার সক্ষমতা রাখে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুদ্ধবিরতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, সামরিক তৎপরতা এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, গালিবাফের এ বক্তব্য মূলত ইরানের অভ্যন্তরীণ জনমতকে ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং প্রতিপক্ষকে বার্তা দেওয়ার কৌশলের অংশ। আঞ্চলিক পরিস্থিতি এখনও অস্থির থাকায় সামনের দিনগুলোতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও সামরিক প্রস্তুতি—দুই ধারাই সমান্তরালভাবে চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
✍️ মন্তব্য লিখুন