ডেস্ক নিউজ
বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আওয়ামী লীগের সঙ্গে গণতন্ত্র কখনোই একসঙ্গে যায় না। তারা সব সময় গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে তার বিপরীত কাজ করেছে।” তিনি মনে করেন, টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিক সহনশীলতা, শক্তিশালী গণমাধ্যম এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা জরুরি।
শুক্রবার রাজধানীতে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, গণতন্ত্র কেবল নির্বাচন বা সরকার পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি, যেখানে ভিন্নমতকে সম্মান এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই সনদ, গণভোট এবং অন্যান্য রাজনৈতিক মতপার্থক্য নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে, সেগুলোর সমাধান সংসদে আলোচনা ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হওয়া উচিত। তিনি রাস্তায় নেমে চাপ সৃষ্টি বা ‘মব’ তৈরির রাজনীতির সমালোচনা করে বলেন, এ ধরনের সংস্কৃতি গণতন্ত্রকে দুর্বল করে।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যম থাকলে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং গণতন্ত্র আরও টেকসই ভিত্তি পায়। তাই সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সাংবিধানিক পদ্ধতিতে রাজনৈতিক বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
✍️ মন্তব্য লিখুন