নিজস্ব প্রতিবেদক
হালাল খাদ্যসংস্কৃতি ও মূল্যবোধ শুধু মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, সমগ্র মানবসভ্যতার জন্যও বড় সম্পদ ও শক্তিতে পরিণত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, হালাল পণ্য ও সংস্কৃতির বিকাশকে শুধু ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; এর সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মানবকল্যাণও সরাসরি সম্পর্কিত।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে মালয়েশিয়ান হাইকমিশন আয়োজিত ‘থিংক হালাল, গ্রো গ্লোবাল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে হালাল খাদ্যের বড় বাজার রয়েছে। এ খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে ভোক্তা ও বিনিয়োগকারী—উভয়েরই আগ্রহ রয়েছে। ফলে হালাল শিল্পের বিকাশে উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার অভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের কথা তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দুই দেশ নিজেদের অভিন্ন মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হালাল শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে হালাল পণ্যের পরিধি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জনগণের মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়েও দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হচ্ছে। হালাল শিল্প দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতার একটি নতুন ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সেমিনারে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওথমান এবং বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার শাহিদ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারের আলোচনায় হালাল পণ্যের বৈশ্বিক বাজার, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা এবং এই খাতে বিনিয়োগ ও ব্যবসার সম্ভাবনার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
✍️ মন্তব্য লিখুন