ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে অটোরিকশাচালক আরজান মিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় ও তাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিস্তারিত বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
গত ২১ সেপ্টেম্বর নাসিরনগর উপজেলা সদরের সরকারি কলেজের গেটসংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে আরজান মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর হাত ও মুখ স্কচটেপ দিয়ে প্যাঁচানো ছিল। শরীরেও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছিল।
নিহত আরজান মিয়া হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার চিকনপুর গ্রামের আব্দুল আওয়ালের ছেলে। তিনি অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, ২০ সেপ্টেম্বর সকালে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফেরেননি। পরে নাসিরনগরে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আরজানকে শনাক্ত করেন।
পরে নাসিরনগরের বুড়িশ্বর ইউনিয়নের বেনীপাড়া এলাকা থেকে আরজানের ব্যবহৃত অটোরিকশাটিও উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছিল পুলিশ।
এ ঘটনায় আরজান হত্যার বিচার ও জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ২৪ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জের লাখাইয়ে টমটমচালকেরা মানববন্ধন করেন। স্থানীয় চালকেরা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবি জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
✍️ মন্তব্য লিখুন