অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৪২, ২ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা (ইমিগ্র্যান্ট ভিসা) প্রক্রিয়ায় সাময়িক স্থগিতাদেশের কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। তবে এই সিদ্ধান্ত ভিজিটর বা অ-অভিবাসী ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) ঢাকায় অবস্থিত U.S. Embassy Dhaka–এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকরভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা ইস্যুর নির্দিষ্ট কিছু কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব দেশের কিছু অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা গ্রহণ করেন—এমন মূল্যায়নের ভিত্তিতে নীতিগত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে ভিজিটর (বি-১/বি-২) বা অন্যান্য অ-অভিবাসী ভিসা এই স্থগিতাদেশের আওতায় পড়বে না। ফলে পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা বা স্বল্পমেয়াদি সফরের জন্য আবেদনকারীরা আগের নিয়মেই ভিসার আবেদন করতে পারবেন।
দূতাবাসের তথ্যমতে, প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দেওয়া এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রমও চলমান থাকবে, যদিও চূড়ান্ত ভিসা প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হতে পারে।
এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত নীতিগত ব্যাখ্যা প্রকাশ করেনি U.S. Department of State। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এটি সাময়িক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হতে পারে এবং পরবর্তী নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে নীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে পরিবারভিত্তিক ও কর্মসংস্থানভিত্তিক অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে। তবে ভিজিটর ও শিক্ষার্থী ভিসা চালু থাকায় সামগ্রিক ভিসা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
এদিকে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের সর্বশেষ নির্দেশনা জানতে দূতাবাসের অফিসিয়াল ঘোষণা অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন অভিবাসন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
✍️ মন্তব্য লিখুন