এম জি বাবর (নোয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গুলিবিদ্ধ সহ ৭ বিএনপি কর্মী আহতের ঘটনায় বিএনপি ও জামাতের মধ্যে বিরোধের জেরে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ফলে স্থানীয় লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। উভয় দল একে অপরকে দায়ী করলেও জামায়েত ইসলামী ঘটনার সাথে কোন ভাবে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে বিএনপির অভ্যন্তরীন কোন্দলে গত দুই দিন ধরে এলাকায় অস্ত্র মহড়ায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানান, উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ছোট শিবনারায়নপুর গ্রামে সোমবার বিকেলে বিএনপির কর্মী মাহফুজ ও স্থানীয় ইমন নামে এক যুবকের সাথে কথা কাটাকাটির জেরে উভয়ের মধ্যে বিরোধের জেরে সন্ধ্যার ঠিক পর হামলা পাল্টা হামলা শুরু হলে এলাকার শত শত নারী পুরুষের সাথে আলা উদ্দিন বাহিনীর লোকজনের সাথে সংঘর্ষে বাঁধে। এসময় সামছু ষ্টোর ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট করা হয়। এসময় উভয় পক্ষের সংঘর্ষে জহির (৫৫), শাকিল (৩০) গুলিবিদ্ধ এবং আলমগীর, নাছিম, সামছু, মিরাজ, মোহর আলী আহত হয়।
বেগমগঞ্জ উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. জাকের হোসেন ও স্থানীয় ইউনিয়ন জামাতের সভাপতি মাওলানা ইসমাইল হোসেন বলেন, ঘটনাটিকে জামায়াতের সঙ্গে জড়িয়ে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই। এসব ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। মুলত বিকালে হাতাহাতি ঘটনা সুত্রপাত হলে পরবর্তীতে একদল সন্ত্রাসী এলাকা হামলা করতে গেলে সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় এলাকাবাসী লোকজনের সাথে সন্ত্রাসী আলা উদ্দিন বাহিনীর মুখোমুখি সংরর্ষ হয়।
০৫ নং ছয়ানী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন বলেন,
গুপ্ত সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে এলাকার ৫০/৬০ জনের সন্ত্রাসী মিলে বিএনপির নেতা কর্মীদের উপর হামলা করেছে। এতে ০১নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি পদপ্রার্থী জহির (৫৫), শাকিল (৩০) গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়, অবস্থা আশংঙ্কাজনক দেখে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এঘটনায় থানায় কোন মামলা হয়নি বলে পুলিশ জানায়।
✍️ মন্তব্য লিখুন