নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি Sheikh Hasina ঘোষণা দিয়েছেন, সব ধরনের রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, আইনি বাধা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই তিনি চলতি বছরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ ই-মেইল সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
প্রায় দুই বছর ধরে ভারতের অবস্থানরত শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফেরা তাঁর ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিষয় নয়; বরং বাংলাদেশের জনগণের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে এটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমার হৃদয় এখনো বাংলাদেশেই রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, জনগণের শক্তিই শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হবে। সব বাধা অতিক্রম করে এ বছরই দেশে ফিরব এবং সংগ্রাম চালিয়ে যাব।”
আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে বিএনপি নেতৃত্বের সঙ্গে গোপন যোগাযোগের গুঞ্জনও নাকচ করেন তিনি। শেখ হাসিনার দাবি, এ ধরনের প্রচারণা জনগণকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকার কোনো গোপন সমঝোতার বিষয় নয়; এগুলো জনগণের সাংবিধানিক অধিকার।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দয়া বা অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে না। দলটি জনগণের সমর্থন এবং সাংবিধানিক অধিকারের ভিত্তিতেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে।
উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতা ছাড়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। দেশে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর দেশে ফেরার ঘোষণা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা ও জল্পনার জন্ম দিয়েছে।
✍️ মন্তব্য লিখুন