অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩:১১, ১১ মার্চ ২০২৬
সরকার নতুন সরকারি বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং বিশ্ববাজারের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে দেশের রাজস্ব ঘাটতি বর্তমানে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একসাথে পুরোপুরি নতুন পে স্কেল চালু করা সম্ভব নয়, তাই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের নীতি অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার পর বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পূর্বে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ী নতুন পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে। ইতিমধ্যেই পে কমিশনের রিপোর্ট ও সুপারিশ আলোচনা করার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, “পে স্কেলের সুপারিশ বাস্তবায়নের আগে সরকারের কাছে মোট বাজেট কতটা সম্ভব তা যাচাই করতে হবে। দেশের ট্যাক্স রেভিনিউ ও ট্যাক্স জিডিপি অনুপাত এখন খুবই কম, তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রাখতে হবে।”
গত বছর প্রস্তাবিত ২১ সদস্যের পে কমিশন ২১ জানুয়ারি তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছিল। যদিও নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত এখনও দেনি, তবে আগামী সংসদ অধিবেশনে বিষয়টি আলোচনা করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পথ সুগম হতে পারে।
সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে, অর্থসংকট ও মূল্যস্ফীতির মধ্যেও সরকারি চাকরিজীবীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব না পড়া। ধাপে ধাপে নতুন পে স্কেল কার্যকর করলে, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি সরকারি চাকরিজীবীদের সুবিধাও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
✍️ মন্তব্য লিখুন