ভোটের মাঠে স্বতন্দ্র প্রার্থি হিসেবে টিকে গেলেন তিনি। রাজধানীর আগারগাও এ নির্বাচন কমিশনে দীর্ঘ শুনানী শেষে রাজিব উদ দৌলা চৌধূরীর আপীল মঞ্জুর করে তাকে নির্বাচনের জন্য যোগ্য ঘোষণা করে ইসি।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবরে পুরো বেগমগঞ্জে উপজেলার ভোটারদের মাঝে উল্লাস দেখা গেছে বলে আমাদের বেগমগঞ্জ প্রতিনিধি জানান। তিনি জানান, নির্বাচনের মাঠে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির হেভী ওয়েট প্রার্থি বরকত উল্লাহ বুলু ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থি রয়েছে। কিন্তু এ উপজেলায় জামায়াতের হাতে গোনা ভোট রয়েছে। যা কোন ভাবেই জামায়াতের জয়ের জন্য যথেষ্ট নয়।
অন্যদিকে বিএনপির ভোটের বিপরীতে এ বছর নীরব ভোটের সংখ্যা অনেক। এই নীরব ভোটার এবং নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামীলীগের বড় ভোট ব্যাংক রয়েছে। জাতীয় পার্টিরও কিছু ভোটার আছে। প্রতিবেদকের মতে, এ বছর এ আসনে এই যে নীরব ভোটার তারাই মূলত গেম চেঞ্জারের ভূমিকা পালন করবে।
এলাকার সূত্র বলছে, নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থি হিসেবে রাজিব উদ দৌলার সক্রিয় হয়ে ফিরে আসাতে নির্বাচনী মাঠের হিসেব বদলে যেতে পারে। কারণ এ আসনের নীবন ভোটারদের বড় অংশই এখন স্বতন্ত্র প্রার্থির দিকে ঝুঁকে যাবে। যারা কাকে ভোট দিবেন এমন শঙ্কার মধ্যে সময় কাটাচ্ছিলেন তাদের আস্থার ঠিকানা হয়ে উঠবে রাজিব উদ দৌলা চৌধূরী। এলাকার সূত্র বলছে, ব্যাক্তি রাজিব উদ দৌলা চৌধূরীর পারিবারিক পজেটিভ ইমেজ এবং মানুষের প্রতি ব্যক্তি রাজিব উদ দৌলার কমিটমেন্ট এখানে ফ্যাক্টর হয়ে যাবে।
তাদের ভাষায় রাজিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলো। সেই সময় থেকে এলাকার নানা সমাজ কর্মের সাথে তিনি জড়িত। এ বছর তরুণ ভোটাররা একটা বড় ভূমিকা রাখবে। তরুণ সেই ভোটারদের বড় অংশই স্বতন্ত্র প্রার্থির পক্ষে কাজ করবে। তারা অপেক্ষা করছিলো রাজিবের টিকে যাওযার বিষয়ে।
সব মিলে রাজিব উদ দৌলার স্বতন্ত্র প্রর্থি হিসেবে মাঠে গড়ানোর কারণে বেগমগঞ্জের নির্বাচনী মাঠে যেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াবে সেই সাথে বহু বছরের হেভিওয়েটের স্বপ্ন ভঙ্গের কারণ হয়ে উঠতে পারেন তিনি। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে রাজিব উদ দৌলা চৌধূরী দৈনিক কালের ছবিকে বলেন, আমি মহান আল্লাহর দরবারে হাজারো শুকরিয়া আদায় করছি।
সেই সাথে আমার এলাকার সকল মানুষকে আন্তরিক অভিবাদন জানাচ্ছি। তাদের দোয়া ও ভালবাসা আমাকে এতদূর এনেছে। আমি কোন দলীয় প্রার্থি নই। আমি এলাকার ভোটারদের সমর্থিত প্রার্থি। এলাকার সন্তান হিসেবে আমি সব সময় চেষ্টা করেছি সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে যথাযোগ্য সম্মান দিতে।
তারাই আমার আশা ভরসার জায়গা। এখন আমি তাদের কাছে যাব। এলাকার মাটি মানুষের প্রতি আমার কমিটমেন্টের কথা বলব। ভাগ্য থাকলে এমপি যদি হই, মানুষের জন্য কাজ করব। আমার যেহেতু কোন দলীয় বিষয় চিন্তার কিছু নেই, তাই এলাকার মানুষের চাওয়া পাওয়া আমি যেভাবে মূল্যায়ন করতে পারব অন্য কারো পক্ষে তা সম্ভব হবে না। আমি আমার জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী
✍️ মন্তব্য লিখুন