নিজস্ব প্রতিবেদক
গভীর রাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার রাত ১২টা ১২ মিনিট ৫১ সেকেন্ডে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৮। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের ম্রাক-ইউ অঞ্চল।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে ৪৪৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। ভূমিকম্পটির তীব্রতা হালকা পর্যায়ের ছিল।
ভূমিকম্পের কম্পন দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হয়। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে মানুষ মৃদু কম্পন টের পান। গভীর রাতে হঠাৎ কম্পন অনুভূত হওয়ায় অনেকের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।
এদিকে একই সময়ে দেশের আশপাশের অঞ্চলে আরও ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকাল ৬টা ২৬ মিনিটে ত্রিপুরা সীমান্ত এলাকায় ৩ দশমিক ৮ মাত্রার আরেকটি মৃদু ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ১৬৪ কিলোমিটার দূরে।
এর আগে শনিবার রাতেও বাংলাদেশ ও আশপাশের সীমান্তবর্তী এলাকায় একাধিক ভূকম্পনের খবর পাওয়া যায়। এতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৪ দশমিক ৮ মাত্রার এই ভূমিকম্পে বাংলাদেশে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের জন্য ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করা এবং জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি বহির্গমন পথ খোলা রাখাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
✍️ মন্তব্য লিখুন