ডেস্ক নিউজ
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হচ্ছে। একাধিক প্রার্থী থাকায় সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। নির্বাচনে ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ কারণে সংসদে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ কে পড়াবেন—এ নিয়ে সাংবিধানিক জটিলতা দেখা দিলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত নেয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করায় তাঁর সংসদীয় দায়িত্ব ডেপুটি স্পিকার পালন করছেন। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকারই স্পিকারের দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ানোর সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ।
সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত পদে দায়িত্ব গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শপথ নিতে হয়। রাষ্ট্রপতির শপথ পড়ানোর দায়িত্ব স্পিকারের ওপর ন্যস্ত। বর্তমান বিশেষ পরিস্থিতিতে স্পিকার নিজেই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকায় সেই দায়িত্ব কার্যত কায়সার কামালের ওপর বর্তাচ্ছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের এই মতামতের ফলে নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান নিয়ে তৈরি হওয়া সাংবিধানিক প্রশ্নেরও অবসান হলো। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর নির্ধারিত আনুষ্ঠানিকতায় বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, কায়সার কামাল এর আগে বিএনপির আইন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন এবং স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ায় তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়ে সংসদে স্পিকারের কার্যাবলি পরিচালনা করছেন।
✍️ মন্তব্য লিখুন