নিজস্ব প্রতিবেদক
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা, গুজব ও অপপ্রচার মোকাবিলায় এ ইউনিট কাজ করবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে অপরাধের ধরনও পরিবর্তিত হচ্ছে। ফলে প্রচলিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাইবার অপরাধ শনাক্ত, তদন্ত ও প্রতিরোধে পুলিশের বিশেষায়িত দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই পুলিশের অধীনে পৃথক সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) সাইবার অপরাধ নিয়ে কাজ করার সক্ষমতা রয়েছে। তবে পৃথক ও পূর্ণাঙ্গ ইউনিট গঠিত হলে সাইবার অপরাধের তদন্ত, ডিজিটাল আলামত সংগ্রহ ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে পুলিশের সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সাইবার অপরাধের মধ্যে অনলাইন প্রতারণা, পরিচয় জালিয়াতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরাধ, আর্থিক প্রতারণা এবং বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল হয়রানির ঘটনা উল্লেখযোগ্য। এসব অপরাধের তদন্তে প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও আধুনিক সরঞ্জামের প্রয়োজন হয়।
এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধে ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের দক্ষতা বাড়াতে নতুন প্রশিক্ষণ অবকাঠামো গড়ে তোলার কথাও জানানো হয়।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সাইবার অপরাধের দ্রুত পরিবর্তনশীল ধরন মোকাবিলায় দক্ষ জনবল, আধুনিক প্রযুক্তি এবং কার্যকর তদন্তব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। নতুন ইউনিট কার্যকরভাবে কাজ শুরু করলে এসব অপরাধের তদন্ত ও প্রতিরোধে পুলিশের সক্ষমতা বাড়বে।
✍️ মন্তব্য লিখুন