কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুরে পৃথক ঘটনায় তিন পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন কৌশলে অচেতন করে প্রায় ৪৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা কখনো খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে, আবার কখনো স্প্রে ব্যবহার করে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করার পর ঘরে ঢুকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি কেশবপুরের দোরমুটিয়া গ্রামে এক ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যদের খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অচেতন করার অভিযোগ পাওয়া যায়। ওই ঘটনায় প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও ২০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। অচেতন অবস্থায় ওই কর্মকর্তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এর আগে কেশবপুরের আলতাপোল গ্রামের বারুইপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহার করে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল লুট করে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় প্রায় ১২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও মালামাল খোয়া যাওয়ার দাবি করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্তের কথা জানিয়েছিল।
যশোরের পাশের মণিরামপুরেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। বিজয়রামপুর গ্রামে একটি বাড়িতে দম্পতিকে অচেতন করে প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ পাওয়া যায়। ভুক্তভোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি তদন্তের কথা জানিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতের বেলায় বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়ার পর দুর্বৃত্তরা সুযোগ নিচ্ছে। কখনো খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মেশানো হচ্ছে, আবার কখনো ঘরে ঢুকে স্প্রে করার অভিযোগ উঠছে। এতে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের পরিবারগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এসব ঘটনায় তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার গ্রহণ এবং রাতে বাড়ির নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
তবে উল্লেখ্য: ৩ পরিবারের মোট ৪৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের দাবিটির নির্ভরযোগ্য পৃথক উৎস আমি খুঁজে পাইনি; তাই সংখ্যাটি আপনার দেওয়া তথ্য হিসেবে রেখেছি এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর যাচাইযোগ্য অংশকে আলাদা করে উপস্থাপন করেছি।
✍️ মন্তব্য লিখুন