বরগুনা প্রতিনিধি
বরগুনায় চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, অসুস্থ শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পর মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ৫০ মিলিলিটার স্যালাইন দেওয়া হয়। এরপর শিশুটির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, শিশুটির বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা না করে দ্রুতগতিতে স্যালাইন দেওয়ায় তার শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা শিশুটিকে অন্যত্র নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার পর স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, চিকিৎসায় অবহেলা ও যথাযথ পর্যবেক্ষণের অভাবেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁরা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চিকিৎসা-সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও চিকিৎসা নথি পর্যালোচনা করা জরুরি। কারণ, স্যালাইন দেওয়ার পর মৃত্যু ঘটলেই সেটিকে সরাসরি ভুল চিকিৎসার ফল বলা যায় না; শিশুটির প্রাথমিক অসুস্থতা, স্যালাইনের ধরন ও পরিমাণ, দেওয়ার গতি এবং অন্যান্য চিকিৎসা-তথ্য বিশ্লেষণ করেই মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব।
চিকিৎসাবিশেষজ্ঞরা সাধারণভাবে শিশুদের শিরায় স্যালাইন দেওয়ার ক্ষেত্রে বয়স, ওজন, পানিশূন্যতার মাত্রা ও শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে সঠিক তরল ও মাত্রা নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেন। ভুল মাত্রা বা ভুল পদ্ধতিতে তরল দেওয়ার ফলে গুরুতর জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এদিকে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
নোট: এই ঘটনার বিষয়ে নির্ভরযোগ্য জাতীয় সংবাদমাধ্যমের বিস্তারিত প্রতিবেদন অনলাইনে খুঁজে নিশ্চিত করা যায়নি। তাই শিশুর নাম, হাসপাতালের নাম, চিকিৎসকের পরিচয় বা মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণের মতো তথ্য অনুমান করে যোগ করা হয়নি।
✍️ মন্তব্য লিখুন