ডেস্ক প্রতিবেদন
জুলাই আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহে ১৮ জুলাই একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের দিন হিসেবে বিবেচিত। এর আগের দিনগুলোতে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক হল খালি করে দেওয়ায় আন্দোলনের গতি কিছুটা শ্লথ হয়ে পড়েছিল। ঠিক সেই সময় রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষার্থী রাজপথে নেমে আন্দোলনে নতুন গতি এনে দেন।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ), আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি–বাংলাদেশ (এআইইউবি), ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি)সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কুড়িল বিশ্বরোড, প্রগতি সরণি, রামপুরা, বাড্ডা ও আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ এবং মিছিল করেন। এতে আন্দোলন রাজধানীর বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
দিনভর বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সন্ধ্যার পর দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ওই দিনের ঘটনাবলি পরবর্তী আন্দোলনের গতিপথে বড় প্রভাব ফেলে এবং জাতীয় রাজনীতিতেও গভীর প্রভাব বিস্তার করে।
বিশ্লেষকদের মতে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দেয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বৃহত্তর ছাত্রসমাজের সম্পৃক্ততায় আন্দোলনের ব্যাপ্তি ও জনসমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যা পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
✍️ মন্তব্য লিখুন