রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট-এ আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু দাউদ মিঞা জানিয়েছেন, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এ সভায় স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাস কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত সংগ্রহ করা হয়। সচিব বলেন, “আমাদের প্রিয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকরা যে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন, সেগুলোর ভিত্তিতেই আমরা একটি সুসংগঠিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাব।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, চলমান সংকট পরিস্থিতি সাময়িক হলেও ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি আবার দেখা দিতে পারে। সে কথা মাথায় রেখে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: স্ট্যান্ডিং অর্ডার তৈরির উদ্যোগ
সভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উঠে এসেছে—শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি স্ট্যান্ডিং অর্ডার বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) তৈরি করা। এর মাধ্যমে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সহজ হবে।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা ক্ষেত্রেও একই ধরনের নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানান সচিব। এতে ভবিষ্যতের সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা সংকট—যেমন মহামারি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ—শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। এ বাস্তবতায় অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে নীতিনির্ধারণকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনকে অন্তর্ভুক্ত করে সিদ্ধান্ত নিলে তা বাস্তবমুখী ও কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
✍️ মন্তব্য লিখুন