প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৮ PM
শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, এখন থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এনটিআরসিএ–এর মাধ্যমে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানদের নিয়োগ পরীক্ষাও এই সংস্থার অধীনে নেওয়া হবে এবং সুপারিশ করা হবে কেন্দ্রীয়ভাবে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি–তে।
মন্ত্রী বলেন, অতীতে এনটিআরসিএ দুর্নীতির অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এনে একটি স্বচ্ছ ও কার্যকর নিয়োগ ও বদলি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। তার মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়ন্ত্রণহীনতা কমবে এবং শিক্ষার মান উন্নত হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বিকাশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকারের ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে জিয়াউর রহমান–এর আমল থেকে শিক্ষা খাতের অগ্রযাত্রা শুরু হয় এবং পরে খালেদা জিয়া–এর সময় তা আরও সম্প্রসারিত হয়।
প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এনটিআরসিএর মাধ্যমে বদলি প্রক্রিয়া চালু হলে শিক্ষক নিয়োগ ও বদলিতে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম কমবে। পাশাপাশি একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে যোগ্যতা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে শিক্ষক বণ্টন সহজ হবে।
তবে এই নতুন ব্যবস্থার বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, এবং এতে শিক্ষকদের সন্তুষ্টি ও প্রশাসনিক দক্ষতা কতটা বাড়বে—তা সময়ই বলে দেবে।
✍️ মন্তব্য লিখুন