নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় সব ধরনের স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে কমেছে ৭ হাজার ১০৯ টাকা। ফলে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬৩৬ টাকা। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাদের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে।
এর আগে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৫ টাকা। কয়েক দফা মূল্যবৃদ্ধির পর এবার এক ধাক্কায় স্বর্ণের বাজারে বড় ধরনের দরপতন হলো।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি গ্রাম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ৬৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ১৯ হাজার ৭০০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম ১৬ হাজার ৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি গ্রাম দাম দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৮২০ টাকা।
স্বর্ণের পাশাপাশি রৌপ্যের দামও কমিয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট রৌপ্যের প্রতি গ্রাম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫৫ টাকা, যা আগের দামের তুলনায় কম।
বাজুস জানিয়েছে, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে স্বর্ণের অলংকার কিনতে গেলে নকশা ও ডিজাইনভেদে মজুরি আলাদাভাবে যোগ হতে পারে।
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দরপতনের প্রভাব এবং দেশের স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য কমে আসার প্রেক্ষাপটে দেশের বাজারেও মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে বাজারসংশ্লিষ্টদের ধারণা। আন্তর্জাতিক বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণের দামেও উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে।
স্বর্ণের দাম কমায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় বাজারের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে আগামী দিনগুলোতে মূল্য আবারও পরিবর্তিত হতে পারে।
✍️ মন্তব্য লিখুন