নিজস্ব প্রতিবেদক
সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সরকারের মানবিক সহায়তা হিসেবে এখন পর্যন্ত ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্গত এলাকায় খাদ্য সহায়তা, চাল, শুকনা খাবার এবং অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় ধারাবাহিকভাবে নগদ অর্থ ও ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত নগদ ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, কয়েক হাজার মেট্রিক টন চাল এবং বিপুল পরিমাণ শুকনা ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, রান্না করা খাবার বিতরণ, চিকিৎসাসেবা এবং উদ্ধার কার্যক্রমে সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করছে। দুর্গত এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত সহায়তা পাঠানো হচ্ছে।
এদিকে বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করলেও অনেক এলাকায় এখনো স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত রয়েছে। সরকার জানিয়েছে, জরুরি ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কৃষিজমি ও বসতঘর পুনর্বাসনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন শেষে পুনর্গঠন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যাদুর্গত মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা মাঠপর্যায়ে কাজ চালিয়ে যাবে।
✍️ মন্তব্য লিখুন