আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিস্তারিত প্রতিবেদন
ইউরোপজুড়ে মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির কারণে অর্থনৈতিক চাপ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। কোভিড-পরবর্তী সরবরাহব্যবস্থার জট, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে ইউরোপীয় অর্থনীতিগুলো টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
জ্বালানি ব্যয়: গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহে বড় পরিবর্তন আসে। ফলে বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানিতে ব্যয় বেড়েছে। শীত মৌসুমে বিদ্যুৎ ও হিটিং খরচ বৃদ্ধি পেয়ে সাধারণ নাগরিকের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়েছে।
মূল্যস্ফীতি: খাদ্য ও নিত্যপণ্যে চাপ
খাদ্যদ্রব্য, পরিবহন ও বাসাভাড়ার খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো বেশি চাপে রয়েছে। কিছু দেশে মূল্যস্ফীতি কমার প্রবণতা দেখা গেলেও বাজারদর এখনো উচ্চ অবস্থানে।
নীতিগত পদক্ষেপ
European Central Bank মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার সমন্বয় করেছে। কঠোর মুদ্রানীতি গ্রহণের ফলে ঋণের খরচ বেড়েছে, যা ব্যবসা ও আবাসন খাতে প্রভাব ফেলছে।
দেশভিত্তিক উদ্যোগ
• Germany শিল্পখাতে ভর্তুকি ও জ্বালানি সহায়তা বাড়িয়েছে।
• France বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে মূল্যসীমা নীতি চালু রেখেছে।
• Italy ছোট ব্যবসা ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে কর-ছাড় ও নগদ সহায়তা দিচ্ছে।
সামনের চ্যালেঞ্জ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরোপের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা, কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং জ্বালানি উৎস বৈচিত্র্য করা। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা আনার চেষ্টা চলছে

✍️ মন্তব্য লিখুন