চট্টগ্রামে জাতীয় দলের স্পিনার Nayeem Hasan–কে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত এক পুলিশ সোর্সকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি শুক্রবার রাতে নগরের লালখান বাজার ফ্লাইওভার এলাকায় ঘটে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি চোরাচালানবিরোধী অভিযানের সময় নাঈম হাসানকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং জোর করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। নাঈম দাবি করেছেন, সাদা পোশাকে থাকা এক ব্যক্তি ও দুই পুলিশ সদস্য তাকে মারধর করেন এবং ‘আসামি’ বলে সম্বোধন করেন।
ঘটনার পর নাঈমের ভাই সাব্বির হাসান বাদী হয়ে খুলশী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় এক উপপরিদর্শক (এসআই), এক কনস্টেবল এবং পুলিশের সোর্সকে আসামি করা হয়। মামলার পর অভিযুক্ত সোর্স সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযানের বিষয়ে তাকে আগে থেকে অবহিত করা হয়নি। থানায় আনার পর তিনি জানতে পারেন যে আটক ব্যক্তি জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান। বিষয়টি জানার পর তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয় এবং ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়।
এদিকে শনিবার সকালে অভিযুক্ত এসআই ও কনস্টেবলসহ তিনজনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়, যার মধ্যে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন বলছে, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট অঙ্গনেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নাঈমের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
✍️ মন্তব্য লিখুন