ঢাবি প্রতিনিধি | ৪ এপ্রিল ২০২৬
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করার দাবিতে সরকারকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়েছে চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে সারাদেশে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
শনিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি শরিফুল হাসান শুভ।
দাবির মূল বিষয়
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, দীর্ঘ সেশনজট এবং নানা অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে অনেক শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারেননি। ফলে তারা সরকারি চাকরিতে আবেদনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা তাদের মতে বৈষম্যমূলক।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দুটি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়েছে—
অস্থায়ীভাবে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৪০ বছর নির্ধারণ
স্থায়ীভাবে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে বয়সসীমা ৩৫ বছর করা
দীর্ঘদিনের আন্দোলন
আন্দোলনকারীরা জানান, গত প্রায় ১৪ বছর ধরে এই দাবিতে তারা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছেন। বিভিন্ন সময় আশ্বাস মিললেও বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
সরকারের সঙ্গে আলোচনা
শিক্ষার্থীদের দাবি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়-এর প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী সংযারের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। সেখানে নীতিগতভাবে বয়সসীমা ৩৫ বছর করার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পাওয়া গেলেও এখনো কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত হয়নি।
হয়রানির অভিযোগ
আন্দোলনকারীরা অতীতে আন্দোলনের সময় মামলা, হামলা ও রাজনৈতিক হয়রানির অভিযোগও তুলে ধরেন। এতে অনেক শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।
কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ১২ এপ্রিলের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে সারা দেশের চাকরিপ্রত্যাশীদের নিয়ে কঠোর আন্দোলনে নামবেন তারা।
✍️ মন্তব্য লিখুন