ডেস্ক নিউজ
পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং দেশের বনভূমির পরিমাণ বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান। শনিবার কক্সবাজারের ডুলাহাজারা মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে একটি গর্জন গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে তিনি এ কর্মসূচির সূচনা করেন।
সরকারি সূত্র জানায়, আগামী কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে। কর্মসূচির আওতায় বনাঞ্চল পুনরুদ্ধার, উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী সম্প্রসারণ, নদীতীর ও সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ এবং জনসম্পৃক্ত পরিবেশ সংরক্ষণ উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণকে এ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্থানীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণে গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে রোপিত চারার পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে সম্পৃক্ত করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পিতভাবে বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে কার্বন নিঃসরণ কমানো, ভূমিক্ষয় রোধ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের সবুজ আচ্ছাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
✍️ মন্তব্য লিখুন