নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ অক্টোবর ২০২৬
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিতের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ। দীর্ঘদিন চাকরির অপেক্ষায় থাকা প্রার্থীদের ভোগান্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেছেন, বছরের পর বছর নিয়োগ না থাকার পর যখন পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ আসে, তখন প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠা অত্যন্ত হতাশাজনক।
শনিবার (১০ অক্টোবর) যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
২৪২ পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা
শনিবারের এ পরীক্ষায় ২৪২টি পদের বিপরীতে সারা দেশ থেকে তিন লাখের বেশি প্রার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। রাজধানীর প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।
পরীক্ষা স্থগিতের খবরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন প্রস্তুতি নেওয়ার পর শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় তাঁরা আর্থিক ক্ষতি ও ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা করা হতে পারে। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের সত্যতা এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের মূল সুর হলো—দীর্ঘদিন চাকরির অপেক্ষায় থাকা তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়া উচিত নয়। নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।
✍️ মন্তব্য লিখুন