২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৯ PM
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ও সফটওয়্যার প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, নতুন ব্যবস্থায় এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিজ জেলায় বদলির সুযোগ পাবেন।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যার উদ্বোধন নিয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তবে শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে দাবি করছেন, শুধু এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কথা বলায় নীতিমালায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং ইনডেক্সধারী অন্যান্য শিক্ষকদের বদলির সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে সভায় উপস্থিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একাধিক কর্মকর্তা জানান, বদলি নীতিমালায় ইনডেক্সধারী সব এমপিওভুক্ত শিক্ষকের জন্যই বদলির সুযোগ রাখা হয়েছে। তাদের মতে, মন্ত্রীর বক্তব্যে শব্দচয়নে অস্পষ্টতা থাকতে পারে, তবে নীতিমালার মূল কাঠামোতে সার্বজনীন বদলির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এটি কেবল এনটিআরসিএর শিক্ষকদের জন্য সীমিত নয়। বরং সব ইনডেক্সধারী এমপিওভুক্ত শিক্ষকই বদলির সুযোগ পাবেন।”
সভায় বদলি ব্যবস্থাপনার জন্য তৈরি নতুন সফটওয়্যারের কার্যপ্রক্রিয়াও উপস্থাপন করা হয়। এতে মোট ১৪টি ধাপে আবেদন ও যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়।
নতুন ব্যবস্থায় প্রথমে প্রতিষ্ঠান প্রধান, এরপর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং পরবর্তী ধাপে জেলা ও আঞ্চলিক শিক্ষা কর্মকর্তারা তথ্য যাচাই ও অনুমোদনের দায়িত্ব পালন করবেন। স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল বিবেচনাসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।
শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, এই ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু হলে বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে এবং দীর্ঘদিনের জটিলতা অনেকাংশে কমে আসবে।
✍️ মন্তব্য লিখুন