সোমবার সন্ধ্যা। সিঁড়ি দিয়ে হেঁটে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চারতলায় উঠে দেখলাম, সিঁড়ির কাছে মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি দেয়ালে মাথা ঠেকিয়ে কাঁদছেন। সেখানে একটু দাঁড়াতে পাশের এক ব্যক্তি বললেন, ‘ভাই, ডিস্টার্ব (বিরক্ত) কইরেন না, প্লিজ।’
সিঁড়ির দিক থেকে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতে দেখলাম ১০-১২ জন স্বজনকে। তাঁরা আইসিইউর (নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র) বাইরে অপেক্ষা করছেন। দুজন নারী তখন মেঝেতে বসে কাঁদছিলেন। একজন ফোনে কথা বলছিলেন, আর কাঁদছিলেন। দাঁড়িয়ে থাকা অন্যরা হতবিহ্বল, কারও মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছিল না।
সেখান থেকে ১০ কদমের মতো দূরত্বে এক নারী মেঝেতে বসে বিলাপ করছিলেন। পাশে তিন-চারজন নারী তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এর মধ্যে আইসিইউ থেকে ডাক আসে ওই নারীর, তিনি হুড়মুড় করে ছুটে যান। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আইসিইউর সামনে থাকা আহতদের কারও সঙ্গে কথা বলার সাহস হলো না।
✍️ মন্তব্য লিখুন