০২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫

বিশ্ব কাঁপানো ট্র্যাজেডি: মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১,৬০০ ছাড়াল!

ডেস্ক নিউজ

ছবি: এএফপি (প্রথম আলোর সৌজন্যে)

মিয়ানমারে ভূমিকম্পের ভয়াবহতা

মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৬০০ ছাড়িয়ে গেছে! দেশটির সামরিক কাউন্সিল আজ শনিবার জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৪৪ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৪০৮ জন এবং নিখোঁজ রয়েছেন ১৩৯ জন।

ভূমিকম্পে পুরো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া প্রকম্পিত!

শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আটটি দেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মিয়ানমারে। গতকাল প্রাথমিকভাবে ১ হাজার জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হলেও আজ নিহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে।

থাইল্যান্ডেও মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক!

প্রতিবেশী থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককেও ভূমিকম্পের তাণ্ডব ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে! বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভূমিকম্পের ধাক্কা আরও অনেক দেশে অনুভূত হতে পারে।

৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প—ধ্বংসস্তূপে পরিণত মান্দালয়!

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যমতে, শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয় থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে! মাত্র ১২ মিনিট পরই ৬.৪ মাত্রার একটি পরাঘাত (আফটারশক) আঘাত হানে, যা ধ্বংসযজ্ঞ আরও বাড়িয়ে তোলে।

বেঁচে থাকার লড়াই—ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা শত শত মানুষ!

ভূমিকম্পের ফলে হাজার হাজার ভবন ধসে পড়েছে, বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন! তাদের উদ্ধারে চলছে প্রাণপণ প্রচেষ্টা, কিন্তু গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ত্রাণ সহায়তার আবেদন—আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কী করবে?

জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবিক সংস্থা মিয়ানমারের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে। তবে, সামরিক সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে বিদেশি সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

আরও ভূমিকম্পের আশঙ্কা! সতর্ক থাকার নির্দেশ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভূমিকম্পের পর আরও পরাঘাত (আফটারশক) হতে পারে! স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মিয়ানমারের রাজনৈতিক ও মানবিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিশ্বের নজর এখন এই বিপর্যস্ত দেশটির দিকে!

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১০:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

বিশ্ব কাঁপানো ট্র্যাজেডি: মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১,৬০০ ছাড়াল!

আপডেট: ১০:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

ছবি: এএফপি (প্রথম আলোর সৌজন্যে)

মিয়ানমারে ভূমিকম্পের ভয়াবহতা

মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৬০০ ছাড়িয়ে গেছে! দেশটির সামরিক কাউন্সিল আজ শনিবার জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৪৪ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৪০৮ জন এবং নিখোঁজ রয়েছেন ১৩৯ জন।

ভূমিকম্পে পুরো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া প্রকম্পিত!

শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আটটি দেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মিয়ানমারে। গতকাল প্রাথমিকভাবে ১ হাজার জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হলেও আজ নিহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে।

থাইল্যান্ডেও মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক!

প্রতিবেশী থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককেও ভূমিকম্পের তাণ্ডব ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে! বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভূমিকম্পের ধাক্কা আরও অনেক দেশে অনুভূত হতে পারে।

৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প—ধ্বংসস্তূপে পরিণত মান্দালয়!

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যমতে, শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয় থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে! মাত্র ১২ মিনিট পরই ৬.৪ মাত্রার একটি পরাঘাত (আফটারশক) আঘাত হানে, যা ধ্বংসযজ্ঞ আরও বাড়িয়ে তোলে।

বেঁচে থাকার লড়াই—ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা শত শত মানুষ!

ভূমিকম্পের ফলে হাজার হাজার ভবন ধসে পড়েছে, বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন! তাদের উদ্ধারে চলছে প্রাণপণ প্রচেষ্টা, কিন্তু গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ত্রাণ সহায়তার আবেদন—আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কী করবে?

জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবিক সংস্থা মিয়ানমারের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে। তবে, সামরিক সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে বিদেশি সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

আরও ভূমিকম্পের আশঙ্কা! সতর্ক থাকার নির্দেশ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভূমিকম্পের পর আরও পরাঘাত (আফটারশক) হতে পারে! স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মিয়ানমারের রাজনৈতিক ও মানবিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিশ্বের নজর এখন এই বিপর্যস্ত দেশটির দিকে!